কথা বলার সময় কারও মুখ থেকে দুর্গন্ধ বেরোলেই অস্বস্তি। কলেজ হোক বা অফিস-এমন পরিস্থিতি হলে বিষয়টা খুব দ্রুতই চর্চার কেন্দ্রে চলে আসে। অনেকে ভাবেন, দাঁত ঠিকমতো না মাজলে বুঝি মুখে গন্ধ হয়। কিন্তু বাস্তবে তা নয়। দাঁত নিয়মিত পরিষ্কার করার পরও বহু মানুষ মুখের দুর্গন্ধ বা হ্যালিটোসিস -এর সমস্যায় ভোগেন। আর চিকিৎসকরা বলছেন, এই সমস্যাকে একেবারেই হালকা ভাবে নেওয়া উচিত নয়।
কোথা থেকে আসে এই দুর্গন্ধ?
সাধারণভাবে দাঁত, দাঁতের গোড়া, মাড়ি, জিভ বা মুখগহ্বরে সংক্রমণ হলে মুখে খারাপ গন্ধ তৈরি হয়। খাওয়ার পর ঠিকমতো মুখ না ধোয়া, দাঁতের ফাঁকে খাবার আটকে থাকা, পর্যাপ্ত জল না খাওয়া বা দাঁতের এনামেল ক্ষয় হলেও দুর্গন্ধ হতে পারে। তবে এখানেই শেষ নয়।
সাইনাস থেকে পেট-সবই দায়ী হতে পারে
চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, সাইনাসের সংক্রমণ হলে নাক বা মুখ দিয়ে গাঢ় হলুদ কিংবা সবুজ রঙের মিউকাস বের হয়। এর থেকেও মুখে দুর্গন্ধ হতে পারে।
একই ভাবে যাঁরা ঘন ঘন বদহজম, গ্যাস বা অম্বলের সমস্যায় ভোগেন, তাঁদের ক্ষেত্রেও মুখে দুর্গন্ধ খুব সাধারণ বিষয়।
ডায়াবেটিস ও ভিটামিনের ঘাটতির প্রভাব
দীর্ঘদিন ডায়াবিটেসে ভুগলে রক্তনালি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, আলগা হয়ে যেতে পারে দাঁতের মাড়ি। তার ফলে মুখে দুর্গন্ধ হতে পারে। এ ছাড়া ভিটামিন ডি -এর অভাবে দাঁত দুর্বল হয়, এনামেল ক্ষয়ে যায়। আবার ভিটামিন সি -এর ঘাটতিতে মাড়ি থেকে রক্ত পড়া, মুখে ক্ষত ও সংক্রমণ তৈরি হয়—যা শেষ পর্যন্ত দুর্গন্ধের কারণ।
শুধু দাঁত নয়, জিভ রোজ পরিষ্কার করছেন তো?
বিশেষজ্ঞদের মতে, জিভে জীবাণুর স্তর জমে থাকলে অনেকসময় মুখ থেকে বাজে গন্ধ বেরোতে পারে। অনেকেই দাঁত মাজার সময় জিভ পরিষ্কার করেন না। আবার মুখ শুকনো থাকলে বা লালা কম তৈরি হলেও ব্যাকটেরিয়া বাড়ে।
ধূমপান, অ্যালকোহল, নাক-কান-গলার সংক্রমণও মুখের দুর্গন্ধ বাড়াতে পারে।
দ্রুত দুর্গন্ধ কমাতে কী করবেন?
প্রতিদিন টাং ক্লিনার দিয়ে জিভ পরিষ্কার করুন
নুন জলে গার্গল করুন
পুদিনা বা তুলসি পাতা, দারুচিনি, লবঙ্গ চিবোতে পারেন
দিনে ৮–১০ গ্লাস জল খান
চিনি ছাড়া মাউথওয়াশ ব্যবহার করুন।
চিকিৎসকদের পরামর্শ
খাওয়ার পর মুখ ধোয়া, দিনে অন্তত দু’বার ব্রাশ করা, কফি-বিড়ি-সিগারেট-মদ কমানো খুব জরুরি। নিয়মিত দাঁতের ডাক্তার দেখানোও প্রয়োজন।
চিকিৎসকদের স্পষ্ট বক্তব্য, দাঁত ব্রাশ করেও যদি মুখে দুর্গন্ধ থাকে, তা উপেক্ষা করবেন না। এটি শুধু স্বাস্থ্যের সমস্যা নয়, আত্মবিশ্বাসে বড় ধাক্কা দিতে পারে। নিয়মিত অভ্যাস আর সঠিক যত্নেই এই অস্বস্তিকর সমস্যা থেকে মুক্তি সম্ভব।
কোথা থেকে আসে এই দুর্গন্ধ?
সাধারণভাবে দাঁত, দাঁতের গোড়া, মাড়ি, জিভ বা মুখগহ্বরে সংক্রমণ হলে মুখে খারাপ গন্ধ তৈরি হয়। খাওয়ার পর ঠিকমতো মুখ না ধোয়া, দাঁতের ফাঁকে খাবার আটকে থাকা, পর্যাপ্ত জল না খাওয়া বা দাঁতের এনামেল ক্ষয় হলেও দুর্গন্ধ হতে পারে। তবে এখানেই শেষ নয়।
সাইনাস থেকে পেট-সবই দায়ী হতে পারে
চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, সাইনাসের সংক্রমণ হলে নাক বা মুখ দিয়ে গাঢ় হলুদ কিংবা সবুজ রঙের মিউকাস বের হয়। এর থেকেও মুখে দুর্গন্ধ হতে পারে।
একই ভাবে যাঁরা ঘন ঘন বদহজম, গ্যাস বা অম্বলের সমস্যায় ভোগেন, তাঁদের ক্ষেত্রেও মুখে দুর্গন্ধ খুব সাধারণ বিষয়।
ডায়াবেটিস ও ভিটামিনের ঘাটতির প্রভাব
দীর্ঘদিন ডায়াবিটেসে ভুগলে রক্তনালি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, আলগা হয়ে যেতে পারে দাঁতের মাড়ি। তার ফলে মুখে দুর্গন্ধ হতে পারে। এ ছাড়া ভিটামিন ডি -এর অভাবে দাঁত দুর্বল হয়, এনামেল ক্ষয়ে যায়। আবার ভিটামিন সি -এর ঘাটতিতে মাড়ি থেকে রক্ত পড়া, মুখে ক্ষত ও সংক্রমণ তৈরি হয়—যা শেষ পর্যন্ত দুর্গন্ধের কারণ।
শুধু দাঁত নয়, জিভ রোজ পরিষ্কার করছেন তো?
বিশেষজ্ঞদের মতে, জিভে জীবাণুর স্তর জমে থাকলে অনেকসময় মুখ থেকে বাজে গন্ধ বেরোতে পারে। অনেকেই দাঁত মাজার সময় জিভ পরিষ্কার করেন না। আবার মুখ শুকনো থাকলে বা লালা কম তৈরি হলেও ব্যাকটেরিয়া বাড়ে।
ধূমপান, অ্যালকোহল, নাক-কান-গলার সংক্রমণও মুখের দুর্গন্ধ বাড়াতে পারে।
দ্রুত দুর্গন্ধ কমাতে কী করবেন?
প্রতিদিন টাং ক্লিনার দিয়ে জিভ পরিষ্কার করুন
নুন জলে গার্গল করুন
পুদিনা বা তুলসি পাতা, দারুচিনি, লবঙ্গ চিবোতে পারেন
দিনে ৮–১০ গ্লাস জল খান
চিনি ছাড়া মাউথওয়াশ ব্যবহার করুন।
চিকিৎসকদের পরামর্শ
খাওয়ার পর মুখ ধোয়া, দিনে অন্তত দু’বার ব্রাশ করা, কফি-বিড়ি-সিগারেট-মদ কমানো খুব জরুরি। নিয়মিত দাঁতের ডাক্তার দেখানোও প্রয়োজন।
চিকিৎসকদের স্পষ্ট বক্তব্য, দাঁত ব্রাশ করেও যদি মুখে দুর্গন্ধ থাকে, তা উপেক্ষা করবেন না। এটি শুধু স্বাস্থ্যের সমস্যা নয়, আত্মবিশ্বাসে বড় ধাক্কা দিতে পারে। নিয়মিত অভ্যাস আর সঠিক যত্নেই এই অস্বস্তিকর সমস্যা থেকে মুক্তি সম্ভব।
ফারহানা জেরিন